Saturday, June 27, 2026

বিশ্বকাপে জার্মানি : সেরা ৫০

২০২২ কাতার বিশ্বকাপ অবধি পরিসংখ্যান 

১) জার্মানি কত সালে প্রথম, বিশ্বকাপ ফুটবলে অংশগ্রহণ করে?
উঃ ১৯৩৪ সালে।
২) জার্মানি প্রথমবার বিশ্বকাপ চ্যাম্পিয়ন কত সালে হয়? 
উঃ ১৯৫৪ সালে।
৩) প্রথম বিশ্বজয়ী জার্মান দলের অধিনায়ক কে ছিলেন?
উঃ ফ্রিৎজ ওয়াল্টার।
৪) কোন দেশকে কত গোলে হারিয়ে জার্মানি প্রথমবার বিশ্ব চ্যাম্পিয়ন হয়?
উঃ হাঙ্গেরি কে, ৩-২ গোলে পরাজিত করে।
৫) জার্মানি মোট কতবার বিশ্বকাপ ফুটবলে চ্যাম্পিয়ন হয়? 
উঃ ৪ বার (চারবার)।
৬) জার্মানি দ্বিতীয়বার বিশ্বকাপ চ্যাম্পিয়ন কত সালে হয়? 
উঃ ১৯৭৪ সালে।
৭) দ্বিতীয় বিশ্বজয়ী জার্মান দলের অধিনায়ক কে ছিলেন?
উঃ ফ্রাঞ্জ বেকেনবাওয়ার।
৮) কোন দেশকে কত গোলে হারিয়ে জার্মানি দ্বিতীয়বার বিশ্ব চ্যাম্পিয়ন হয়?
উঃ নেদারল্যান্ডস কে, ২-১ গোলে পরাজিত করে।
৯) জার্মানি তৃতীয়বার বিশ্বকাপ চ্যাম্পিয়ন কত সালে হয়? 
উঃ ১৯৯০ সালে।
১০) তৃতীয় বিশ্বজয়ী জার্মান দলের অধিনায়ক কে ছিলেন?
উঃ লোথার ম্যাথাউজ।
১১) কোন দেশকে কত গোলে হারিয়ে জার্মানি তৃতীয়বার বিশ্ব চ্যাম্পিয়ন হয়?
উঃ আর্জেন্তিনা কে, ১-০ গোলে পরাজিত করে।
১২) জার্মানি চতুর্থবার বিশ্বকাপ চ্যাম্পিয়ন কত সালে হয়? 
উঃ ২০১৪ সালে।
১৩) চতুর্থ বিশ্বজয়ী জার্মান দলের অধিনায়ক কে ছিলেন?
উঃ ফিলিপ লাম।
১৪) কোন দেশকে কত গোলে হারিয়ে জার্মানি চতুর্থবার বিশ্ব চ্যাম্পিয়ন হয়?
উঃ আর্জেন্তিনা কে, ১-০ গোলে পরাজিত করে।
১৫) বিশ্বে প্রথম কে অধিনায়ক এবং কোচ হিসাবে বিশ্বকাপ জেতেন?
উঃ জার্মানির ফ্রাঞ্জ বেকেনবাওয়ার। ১৯৭৪ সালে অধিনায়ক এবং ১৯৯০ সালে কোচ হিসাবে বিশ্বকাপ জেতেন।
১৬) বিশ্বকাপ ফুটবল টুর্নামেন্টে জার্মানির সর্বোচ্চ গোলদাতা কে?
উঃ মিরোস্লাভ ক্লোসে।
১৭) তিনি কতগুলি গোল করেন?
উঃ ১৬ টি।
১৮) ক্লোসে কত নম্বর জার্সি পরে খেলতেন?
উঃ ১১ নম্বর।
১৯) বিশ্বকাপ ফুটবল টুর্নামেন্টে গোল্ডেন গ্লাভস জয়ী জার্মানির গোলকিপার কারা?
উঃ অলিভার কান(২০০২) এবং ম্যানুয়েল ন্যুয়ার(২০১৪)।
২০) বিশ্বকাপ ফুটবল টুর্নামেন্টে জার্মানির কোন কোন ফুটবলার গোল্ডেন বুট পেয়েছেন?
উঃ গার্ড মুলার(১৯৭০) মিরোস্লাভ ক্লোসে(২০০৬) এবং থমাস মুলার(২০১০)।
২১) বিশ্বকাপ ফুটবল টুর্নামেন্টে জার্মানি মোট কতবার ফাইনাল খেলে?
উঃ ৮ বার। (সবচেয়ে বেশি)
২২) জার্মানি কোন কোন সালে চ্যাম্পিয়ন হয়?
উঃ ১৯৫৪, ১৯৭৪, ১৯৯০ এবং ২০১৪।
২৩) জার্মানি কোন কোন সালে রানার্স হয়?
উঃ ১৯৬৬, ১৯৮২, ১৯৮৬ এবং ২০০২।
২৪) বিশ্বকাপ ফুটবল টুর্নামেন্টে জার্মানি মোট কতবার সেমি-ফাইনাল খেলে?
উঃ ১২ বার (সবচেয়ে বেশি)। (১৯৭৪ সালে সেমি-ফাইনাল ছিল না। ভিন্ন ফরম্যাটে খেলা হয়ে ফাইনালের দুইটি দল নির্বাচিত হয়েছিল)
২৫) ১৯৯০ সালে কার একমাত্র গোলে জার্মানি বিশ্বচ্যাম্পিয়ন হয়?
উঃ আন্দ্রে ব্রেহমে। পেনাল্টি থেকে গোল করেন।
২৬) ২০১৪ সালে কার একমাত্র গোলে জার্মানি বিশ্বচ্যাম্পিয়ন হয়?
উঃ মারিও গোয়েৎজে। অতিরিক্ত সময়ে গোল করেন।
২৭) ১৯৫৪ বিশ্বকাপ ফাইনালে জার্মানির গোলদাতা কারা?
উঃ ম্যাক্স মোরলক(১), হেলমুট রান(২)।
২৮) ১৯৭৪ বিশ্বকাপ ফাইনালে জার্মানির গোলদাতা কারা?
উঃ পল ব্রেইটনার এবং গার্ড মুলার।
২৯) বিশ্বকাপ ফুটবল টুর্নামেন্টে জার্মানির হয়ে সর্বাধিক হ্যাটট্রিক কার দখলে?
উঃ গার্ড মুলার(২টি), ১৯৭০ বিশ্বকাপে।
৩০) বিশ্বকাপ ফুটবল টুর্নামেন্টের একটি আসরে জার্মানির হয়ে সর্বোচ্চ গোলদাতা কে?
উঃ গার্ড মুলার(১০টি), ১৯৭৪ বিশ্বকাপে।
৩১) বিশ্বকাপ ফুটবল টুর্নামেন্টে জার্মানির প্রথম গোলদাতার নাম কি?
উঃ স্টানিসলস কোবিয়েরস্কি, ১৯৩৪ বিশ্বকাপে।
৩২) বিশ্বকাপ ফুটবল টুর্নামেন্টে জার্মানির হয়ে প্রথম হ্যাটট্রিক কে করেন?
উঃ এডমুন্ড কোনেন, ১৯৩৪ বিশ্বকাপে।
৩৩) বিশ্বকাপ ফুটবল টুর্নামেন্টে জার্মানির সর্বাধিক ব্যবধানে জয়ের রেকর্ড কত ও কোন দলের বিপক্ষে?
উঃ ৮-০, বিপক্ষ সৌদি আরব।
৩৪) প্রথম দল হিসাবে জার্মানি পরপর তিনবার বিশ্বকাপ ফুটবল ফাইনাল খেলে। সালগুলি কি কি?
উঃ ১৯৮২, ১৯৮৬, ১৯৯০।
৩৫) ১৯৫০ সাল থেকে ১৯৯০ সাল পর্যন্ত জার্মানি কি নামে বিশ্বকাপে অংশগ্রহণ করেছিল?
উঃ পশ্চিম জার্মানি।
৩৬) একমাত্র কোন বিশ্বকাপে পূর্ব জার্মানি অংশগ্রহণ করেছিল?
উঃ ১৯৭৪ সালে।
৩৭) জার্মানি বিশ্বকাপে মোট কতগুলি হ্যাটট্রিক করেছে?
উঃ ৭ টি। এটি সবদলের মধ্যে সর্বোচ্চ।
৩৮) জার্মানির কতজন খেলোয়াড় এই হ্যাটট্রিক গুলি করেছেন?
উঃ ৬ জন। এটিও সবদলের মধ্যে সর্বোচ্চ।
৩৯) খেলোয়াড়দের নামগুলি কি?
উঃ এডমুন্ড কোনেন (১), ম্যাক্স মোরলক (১), গার্ড মুলার (২), কার্ল হেইনজ রুমেনিগে (১), মিরোস্লাভ ক্লোসে (১), থমাস মুলার (১)।
৪০) গার্ড মুলার ১৯৭৪ বিশ্বকাপে কতগুলি গোল করে গোল্ডেন বুট জেতেন?
উঃ ১০ টি।
৪১) মিরোস্লাভ ক্লোসে ২০০৬ বিশ্বকাপে কতগুলি গোল করে গোল্ডেন বুট জেতেন?
উঃ ৫ টি।
৪২) থমাস মুলার ২০১০ বিশ্বকাপে কতগুলি গোল করে গোল্ডেন বুট জেতেন?
উঃ ৫ টি। অ্যাসিস্ট ৩ টি।
৪৩) কোন জার্মান ফুটবলার 'কাইজার' নামে পরিচিত?
উঃ ফ্রাঞ্জ বেকেনবাওয়ার।
৪৪) কোন বিশ্বকাপ ফুটবল সংস্করণে জার্মানি সর্বাধিক গোল করে?
উঃ ১৯৫৪ সালে, ২৫ টি গোল।
৪৫) বিশ্বের একমাত্র গোলরক্ষক হিসাবে কে বিশ্বকাপে গোল্ডেন বল জেতেন?
উঃ জার্মানির অলিভার কান, ২০০২ বিশ্বকাপে।
৪৬) জার্মানির হয়ে বিশ্বকাপে সর্বাধিক ক্লিনশিট রাখার রেকর্ড কোন গোলকিপারের রয়েছে?
উঃ শেপ মেয়ার(৮টি)। ১৯৭৪ ও ১৯৭৮ বিশ্বকাপ মিলিয়ে।
৪৭) জার্মানির হয়ে বিশ্বকাপের একটি সংস্করণে সর্বাধিক ক্লিনশিট রাখার রেকর্ড কোন গোলকিপারের রয়েছে?
উঃ অলিভার কান (৫টি)। ২০০২ বিশ্বকাপে। তিনি ছাড়া বিশ্বের আরও চারজন গোলকিপারের এই কৃতিত্ব আছে।
৪৮) ইউরোপের প্রথম ও একমাত্র দল হিসাবে লাতিন আমেরিকায় বিশ্বকাপ জয়ের কৃতিত্ব কোন দেশের?
উঃ জার্মানির। ২০১৪ ব্রাজিল বিশ্বকাপ।
৪৯) জার্মানির হয়ে সবচেয়ে বেশি বিশ্বকাপ খেলার নজির কোন খেলোয়াড়ের?
উঃ লোথার ম্যাথাউজ (৫ টি)। 
৫০) জার্মানির হয়ে বিশ্বকাপে সবচেয়ে ম্যাচ খেলার রেকর্ড কার?
উঃ লোথার ম্যাথাউজ (২৫ টি)। 

Wednesday, June 24, 2026

শ্যামাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায়


শ্যামাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায় (১৯০১ - ১৯৫৩)

জন্ম : ৬ই জুলাই, ১৯০১
মৃত্যু : ২৩শে জুন, ১৯৫৩



পরিচিতি :
   'বাংলার বাঘ' নামে কে পরিচিত তা নিশ্চয়ই আমরা জানি। ঠিক, তিনি হলেন স্যার আশুতোষ মুখোপাধ্যায়। তাঁহারই দ্বিতীয় পুত্রের নাম শ্যামাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায়। সন্তানদের মধ্যে তিনি তৃতীয়। তাঁর মাতার নাম যোগোমায়া দেবী।

শিক্ষা :
   শ্যামাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায় ছোটোবেলা থেকেই অত্যন্ত শৃঙ্খলাপরায়ণ এবং মেধাবী ছিলেন। তিনি কলকাতার ভবানীপুরের 'Mitra Institution' থেকে তাঁর বিদ্যালয় জীবন শুরু করেন। এই বিদ্যালয় থেকেই তিনি ১৯১৭ সালে ম্যাট্রিকুলেশন পরীক্ষা (১০ম শ্রেণী) দেন এবং সসম্মানে প্রথম বিভাগে উত্তীর্ণ হন। 
  এরপর তিনি প্রেসিডেন্সি কলেজ থেকে ইংরেজি তে বি.এ. প্রথম বিভাগে প্রথম স্থান অধিকার করেন এবং পরবর্তীতে বাংলা ও আইন বিষয়ে উচ্চতর ডিগ্রী লাভ করেন। ১৯২৬ সালে তিনি ইংল্যান্ড যান এবং সেখান থেকে ব্যারিস্টার হিসেবে যোগ্যতা লাভ করেন।

কর্মজীবন :
  শ্যামাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায় একাধারে ছিলেন একজন শিক্ষাবিদ, রাজনীতিবিদ এবং ব্যারিস্টার। তিনি ছিলেন জাতীয়তাবাদী ভাবধারায় বিশ্বাসী ভারতমায়ের একজন একনিষ্ঠ সেবক।
  ✓ তিনি মাত্র ৩৩ বছর বয়সে কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ের সর্বকনিষ্ঠ উপাচার্য নিযুক্ত হন এবং ৪ বছর এই দায়িত্ব পালন করেন। ১৯৩৮ সালে কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় তাঁকে সাম্মানিক D.Litt উপাধিতে ভূষিত করে।
  ✓ তিনি হিন্দু মহাসভায় যোগ দেন এবং ১৯৪৪ সালে এর সভাপতি নির্বাচিত হন।
   ✓ তিনি মুসলিম লীগের পুরো বাংলাকে পূর্ব পাকিস্তানের অন্তর্ভুক্ত করার পরিকল্পনার বিরোধিতায় সরব হন। ফলস্বরূপ ১৯৪৭ সালের ২০শে জুন ভোটাভুটির দিন স্থির হয় এবং ভোটাভুটিতে জয়লাভের মাধ্যমে বাংলার হিন্দু প্রধান অঞ্চল ভারতবর্ষের অন্তর্ভুক্ত হয়। এভাবেই জন্ম নিয়েছিল আমাদের পশ্চিমবঙ্গ রাজ্য। তাই ২০শে জুন দিনটিকে পশ্চিমবঙ্গ দিবস হিসেবে পালন করা হয়।
  ✓ তিনি স্বাধীন ভারতের প্রথম শিল্পমন্ত্রী হন কিন্তু নেহেরু-লিয়াকত চুক্তির বিরোধিতা করে ১৯৫০ সালে মন্ত্রীসভা থেকে পদত্যাগ করেন।
  ✓ ১৯৫১ সালে তিনি ভারতীয় জনসংঘ তৈরি করেন।
  ✓ শ্যামাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায় জম্মু ও কাশ্মীরের ৩৭০ ধারার ঘোরতর বিরোধী ছিলেন। এই ধারা অনুযায়ী ভারতীয়দের জম্মু ও কাশ্মীরে প্রবেশ করতে হলে বিশেষ অনুমতি নিতে হয়। তাঁর বিখ্যাত স্লোগান ছিল : "এক দেশ মে দো প্রধান, দো বিধান অউর দো নিশান নেহি চলেঙ্গে" 

অন্তিম জীবন :
 
শ্যামাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায় ৩৭০ ধারার বিরোধিতা করে ১৯৫৩ সালের মে মাসে কোনো অনুমতি ছাড়াই জম্মু ও কাশ্মীরে প্রবেশ করলে, তাঁকে গ্রেপ্তার করা হয়। কারাগারে নজরবন্দী থাকার সময় রহস্যজনকভাবে হৃদরোগে তাঁর মৃত্যু হয়। মৃত্যুকালে তাঁর বয়স হয়েছিল মাত্র ৫২ বছর।এই ঘটনায় তখন দেশজুড়ে বিতর্ক তৈরি হয়েছিল। তবে শ্যামাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায়ের মৃত্যুরহস্য অন্তরালে থেকে গেলেও তাঁর কীর্তি ও অবদান চিরস্মরণীয় এবং আমরা তাঁকে শ্রদ্ধার পারে স্মরণ করি।
  


Monday, June 22, 2026

পশ্চিমবঙ্গের ইতিকথা

১) পশ্চিমবঙ্গের জন্মদিবস কবে?
উঃ ২০ শে জুন।
২) পশ্চিমবঙ্গের রাজ্য গাছের নাম কি?
উঃ ছাতিম।
৩) পশ্চিমবঙ্গের রাজ্য ফুলের নাম কি?
উঃ শিউলি।
৪) পশ্চিমবঙ্গের রাজ্য পশুর নাম কি?
উঃ মেছো বিড়াল।
৫) পশ্চিমবঙ্গের রাজ্য পাখির নাম কি?
উঃ সাদাগলা মাছরাঙা।
৬) পশ্চিমবঙ্গের কোন শহরকে শৈলশহর বলা হয়?
উঃ দার্জিলিং।
৭) পশ্চিমবঙ্গের প্রধান সমুদ্র সৈকত পর্যটন কেন্দ্র কোনটি?
উঃ দীঘা।
৮) বিখ‌্যাত রয়্যাল বেঙ্গল টাইগার কোন অঞ্চলে দেখা যায়?
উঃ সুন্দরবন।
৯) ছৌ নাচ কোন জেলার লোকনৃত্য?
উঃ পুরুলিয়া।
১০) কোন শহর পোড়ামাটির কাজের জন্য বিখ্যাত?
উঃ বিষ্ণুপুর, বাঁকুড়া।
১১) কোথাকার সীতাভোগ বিখ্যাত?
উঃ বর্ধমান।
১২) কোথাকার সরপুরিয়া বিখ্যাত?
উঃ কৃষ্ণনগর।
১৩) ল্যাংচা নাম শুনলেই কোন শহরের কথা মনে আসে?
উঃ শক্তিগড়।
১৪) কোথাকার মোরব্বা বিখ্যাত?
উঃ সিউড়ি।
১৫) কোথাকার লাল দই বিখ্যাত?
উঃ নবদ্বীপ।
১৬) কোথাকার মিহিদানা বিখ্যাত?
উঃ বর্ধমান।
১৭) পশ্চিমবঙ্গের কোন শহরের চা জগৎবিখ্যাত?
উঃ দার্জিলিং।
১৮) পশ্চিমবঙ্গের কোথাকার মোয়া বিখ্যাত?
উঃ জয়নগর।
১৯) জয়নগরের মোয়া তৈরিতে ব্যবহৃত বিশেষ জিনিসটি কি?
উঃ নলেন গুড়।
২০) কোথাকার ছানাবড়া বিখ্যাত?
উঃ মুর্শিদাবাদ।
২১) কোথাকার মোতিচুর লাড্ডু বিখ্যাত?
উঃ বাঁকুড়ার বিষ্ণুপুর।
২২) কোথাকার সাদা বোঁদে বিখ্যাত?
উঃ হুগলির কামারপুকুর।
২৩) কোথাকার মনোহরা বিখ্যাত?
উঃ জনাই।
২৪) জিআই ট্যাগ প্রাপ্ত বাংলার মিষ্টির নাম কর।
উঃ রসগোল্লা, নলেন গুড়ের সন্দেশ, জয়নগরের মোয়া। তিনটি পরিচিত নাম দিলাম।
২৫) মাটির পুতুলের জন্য কোন শহরের খ্যাতি আছে?
উঃ কৃষ্ণনগরের।
২৬) মাটির প্রতিমা তৈরির জন্য কোন অঞ্চলের খ্যাতি আছে?
উঃ কলকাতার কুমোরটুলি।
২৭) পশ্চিমবঙ্গে গঙ্গা নদী আর কি কি নামে পরিচিত?
উঃ ভাগীরথী, হুগলী।
২৮) গঙ্গা নদী পশ্চিমবঙ্গের কোথায় দুই ভাগে ভাগ হয়েছে?
উঃ মুর্শিদাবাদের ধুলিয়ানের কাছে।
২৯) কোন নদী/নদ কে বাংলার দুঃখ বলা হত?
উঃ দামোদর।
৩০) উত্তরবঙ্গের প্রধান নদীর নাম কি?
উঃ তিস্তা।
৩১) কলকাতা শহরের পত্তন কত সালে হয়?
উঃ ১৬৯০ সালে।
৩২) কোন তিনটি গ্রাম নিয়ে কলকাতা শহর তৈরি হয়?
উঃ গোবিন্দপুর, সুতানটি ও কলকাতা।
৩৩) পূর্ব মেদিনীপুরের সদর শহরের নাম কি?
উঃ তমলুক।
৩৪) তমলুকের আদি নাম কি ছিল?
উঃ তাম্রলিপ্ত।
৩৫) পশ্চিমবঙ্গে রেল ইঞ্জিন তৈরির কারখানা কোথায় আছে?
উঃ চিত্তরঞ্জন।
৩৬) পশ্চিমবঙ্গের কোন অঞ্চল কয়লাখনির জন্য বিখ্যাত?
উঃ রানীগঞ্জ।
৩৭) ফজলি আমের জন্য বিখ্যাত জেলা কোনটি?
উঃ মালদা।
৩৮) অযোধ্যা পাহাড় কোন জেলায় অবস্থিত?
উঃ পুরুলিয়া।
৩৯) শুশুনিয়া পাহাড় কোন জেলায় অবস্থিত?
উঃ বাঁকুড়া।
৪০) মামা-ভাগ্নে পাহাড় কোন জেলায় অবস্থিত?
উঃ বীরভূম।
৪১) পশ্চিমবঙ্গের উচ্চতম পর্বতশৃঙ্গের নাম কি?
উঃ সান্দাকফু (উচ্চতা ৩৬৩০ মিটার)।
৪২) শান্তিনিকেতন কোন জেলায় অবস্থিত?
উঃ বীরভূম।
৪৩) জলদাপাড়া অভয়ারণ্য কোন জেলায় অবস্থিত?
উঃ আলিপুরদুয়ার।
৪৪) গোরুমারা অভয়ারণ্য কোন জেলায় অবস্থিত?
উঃ জলপাইগুড়ি।
৪৫) বক্সা অরণ্য কোন জেলায় অবস্থিত?
উঃ আলিপুরদুয়ার।
৪৬) সুন্দরবন অঞ্চল কোন জেলায় অবস্থিত?
উঃ দক্ষিণ ২৪ পরগনা।
৪৭) কুলিক পাখিরালয় কোন জেলায় অবস্থিত?
উঃ উত্তর দিনাজপুর।
৪৮) দ্বিতীয় হুগলি সেতুকে আমরা আর কি নামে চিনি?
উঃ বিদ্যাসাগর সেতু।
৪৯) 'হাওড়া ব্রিজ' কে আমরা আর কি নামে চিনি?
উঃ রবীন্দ্র সেতু।
৫০) প্ল্যাটফর্মের নিরিখে ভারতের বৃহত্তম রেলওয়ে স্টেশন পশ্চিমবঙ্গে অবস্থিত। স্টেশনটির নাম কি?
উঃ হাওড়া জংশন।


বিশ্বকাপে জার্মানি : সেরা ৫০

২০২২ কাতার বিশ্বকাপ অবধি পরিসংখ্যান  ১) জার্মানি কত সালে প্রথম, বিশ্বকাপ ফুটবলে অংশগ্রহণ করে? উঃ ১৯৩৪ সালে। ২) জার্মানি প্রথমবার বিশ্বকাপ চ্...